শিলংয়ে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের আগে বাস থেকে নেমে স্টেডিয়ামে ঢোকার মুহূর্তে আল আমিন হয়তো বুঝে গিয়েছিলেন, একাদশে জায়গা হচ্ছে না। তারপরও বদলি হয়ে মাঠে নামার অপেক্ষায় থেকে ভাগ্য সহায় হয়নি। পুরো সময়জুড়ে টেন্টেই থাকতে হয়েছে। অনেক আশা নিয়ে জাতীয় দলে খেলার অপেক্ষায় থেকে অভিষেকটা যে হলো না। এ নিয়ে কিছুটা হতাশ হলেও আল আমিন কিন্তু নতুন উদ্যোম নিয়ে আবারও জাতীয় দলে জায়গা পাওয়ার অপেক্ষায়।
জুনে এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। তার আগে ঘরোয়া ফুটবলে পুলিশ এফসির হয়ে আবারও মাঠ মাতিয়ে হাভিয়ের কাবরেরার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইছেন নীলফামারী থেকে উঠে আসা ফরোয়ার্ড। বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ’অনেক আশায় ছিলাম শিলংয়ে একাদশে থাকতে পারবো। খেলার সুযোগ আসবে। কিন্তু তা হলো কোথায়। এখন কোচ যা ভালো মনে করেছেন তাই করেছেন। এখানে আমার কিছু করার নেই। তবে আমি তাৎক্ষণিকভাবে হতাশ হলেও নিজেকে সামলে নিয়েছি। এবার অভিষেক না হলেও সামনে হবে। এমন আশা নিয়ে আছি।’
আল আমিনের অনেক শখ ছিল ভারতের বিপক্ষে গোল করে হামজা চৌধুরীর কাঁধে উঠে উল্লাস করবেন। তা হয়নি। আল আমিনের কথা, ’আসলে এমন কথা আমি আবেগে বলে ফেলছি। মুখে যতটা সহজে বলা যায় তা বাস্তবে করা বেশ কঠিন। তবে আমার স্বপ্ন আছে যা বলেছি, তা খেলতে পারলে একসময় সত্যি হবে। আমি হতাশ নই, হামজা ভাইয়ের সঙ্গে খেলবোই। এর জন্য আমি ঘরোয়া ফুটবলে আরও কঠোর পরিশ্রম করে যাবো। গোলও করতে হবে। নিজেকে আরও ধারালোভাবে উপস্থাপনা করতে হবে। যেন কাবরেরা আমাকে আবারও ডাকে।’
জাতীয় দলের ক্যাম্পে প্রথমবার থেকে দারুণ অনুভূতি আল আমিনের। বললেন, 'জাতীয় দলে অনেক কিছু শেখার আছে। সেখানে হামজা-জামাল ভাই সহ অন্যদের মতো খেলোয়াড়রা আছেন। হামজা ভাই তো মাটির মানুষ। এত বড় একজন খেলোয়াড়। অথচ কোনও অহমিকা নেই। প্রয়োজনে টিপসও দিছেন। এছাড়া ভারত ম্যাচে আমি খেলতে না পারলেও দল জিততে পারলে ভালো লাগতো। তবে ড্রও কম নয়।’