বাংলাদেশি পণ্যের ওপরে ৩৭ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে বাংলাদেশি রফতানি পণ্য বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পের ওপরে নেতিবাচক প্রভাব কতটুকু পড়তে পারে এ বিষয়ে কাজ করছে সরকার।
বাংলাদেশি পণ্য ওপর আগে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ছিল ১৬ শতাংশ। বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যেমন অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, তেমনই বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেশগুলোর ওপরও শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যেমন-ভিয়েতনামের ওপর ৪৬ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার ওপর ৪৪ শতাংশ বা মিয়ানমারের ওপর ৪৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। ফলে রফতানির ক্ষেত্রে এর প্রভাব কী পড়তে পারে সেটি হিসাব করে বের করতে হবে।
এ বিষয়ে ওয়াশিংটনের একটা সূত্র জানায়, এ বিষয়ে এখন আরও জোরালোভাবে কাজ করতে হবে। আগামী তিন থেকে ছয় মাস এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে সূত্র জানায়, বাংলাদেশ বেশি রফতানি করে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এখন বেশি পণ্য আমদানি করে আমাদের দেখাতে হবে যে বাণিজ্য ঘাটতি কিছুটা হলেও কমছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, আমরা সয়াবিন তেল, তুলা, গম অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করি। এ সময় আমরা যদি কিছুটা বেশি পরিমাণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করি তাহলে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ কমে আসবে। মোটকথা আমাদের এখন দেখাতে হবে, আমরা বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর বিষয়ে সিরিয়াস।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাক পণ্য বেশি রফতানি করে। এর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রাংশ, বিমানসহ অন্যান্য পণ্য আমদানি করে থাকে। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশ প্রায় সাড়ে ৮ বিলিয়ন ডলার পরিমাণ পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রফতানি করেছে।