গোলাপজল একটি প্রাকৃতিক, প্রশান্তিদায়ক টোনার যা ত্বকের যত্নে অতুলনীয়। গোলাপের পাপড়ি থেকে তৈরি এই উপাদানটি হাইড্রেটিং, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। ত্বকের যত্নে গোলাপজল নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বক হয় উজ্জ্বল ও কোমল। তবে গোলাপজল ব্যবহার করার সময় অনুসরণ করতে হবে কিছু নিয়ম। কিছু পদার্থ রয়েছে যা গোলাপজলের সঙ্গে মেশানো নিরাপদ নয়। জেনে নিন সেগুলো কী কী।
অ্যালকোহলযুক্ত টোনার
অ্যালকোহলযুক্ত টোনারের সাথে গোলাপজল মেশালে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়তে পারে। এই সংমিশ্রণটি ত্বকের জ্বালা, লালভাবের কারণ হয়ে উঠতে পারে। শক্তিশালী অ্যাসিডের সাথে গোলাপজলের মিশ্রণ ত্বকের প্রাকৃতিক পিএইচ ভারসাম্যকে ব্যাহত করে। এর ফলে জ্বালা সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি পেতে পারে। এই উপাদানগুলো আলাদাভাবে এবং সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা ভালো।
হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড
হাইড্রোজেন পারক্সাইডের সাথে গোলাপজল মেশানো উচিত নয়। এই সংমিশ্রণটি একটি রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া হতে পারে যা ত্বকে জ্বালা এবং অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে।
উচ্চ ঘনত্বের তেল
যদিও কিছু তেল ত্বকের জন্য উপকারী, তবে গোলাপজলের সাথে উচ্চ ঘনত্বের তেল ব্যবহার না করাই ভালো। এতে জ্বালা বা অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া হতে পারে ত্বকে। গোলাপজলে যোগ করার আগে তেলগুলোর ঘনত্ব কমিয়ে পাতলা করে নিন।
ব্লিচিং উপাদান
শক্তিশালী ব্লিচিং উপাদানের সাথে গোলাপজল মেশানো ত্বকের ক্ষতির কারণ হতে পারে। এই ধরনের সংমিশ্রণ এড়াতে ভালো।
শক্তিশালী অ্যাস্ট্রিনজেন্টস
শক্তিশালী অ্যাস্ট্রিনজেন্টের সাথে গোলাপ জলের সংমিশ্রণ ত্বকের জন্য নিরাপদ নয়। ত্বকের প্রাকৃতিক তেলকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এই মিশ্রণ। ফলে ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে পড়তে পারে।
কৃত্রিম সুগন্ধযুক্ত পণ্য
কিছু কৃত্রিম সুগন্ধি রাসায়নিক ধারণ করতে পারে যা গোলাপজলের প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর সাথে ভালোভাবে মিশতে পারে না। এতে ত্বকে জ্বালা বা অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া হতে পারে।
দানাদার পদার্থ
দানাদার পদার্থ বা এক্সফোলিয়েন্টের সাথে গোলাপজল না মেশানোই ভালো। এতে ত্বক অতিরিক্ত রুক্ষ হয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। .