পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে সোমবার রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা লঙ্ঘনের ফাঁসের মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। সোমবার ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এই তথ্য জানিয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানা গেছে।
আদিয়ালা কারাগারে থাকা সাবেক ক্রিকেট তারকার জন্য এটি একটি বড় আঘাত বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী জানুয়ারিতে দেশটিতে নির্বাচন আয়োজন করা হতে পারে।
তোশাখানা দুর্নীতি মামলায় ইসলামাবাদ হাইকোর্ট তিন বছরের কারাদণ্ড স্থগিত করলেও কারাগার থেকে মুক্তি পাননি ইমরান খান। রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের এক মামলায় তাকে কারাগারে রাখা হয়।
গত বছর ওয়াশিংটনের পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত ইসলামাবাদে একটি গোপন নথি পাঠিয়েছিলেন। ইমরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি এটি প্রকাশ করে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তার আইন লঙ্ঘন করেছেন। তবে তিনি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
পিটিআই দাবি করছে, এই নথিতে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি রয়েছে। একই মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশিকেও আসামি করা হয়েছে।
ইসলামাবাদ হাইকোর্টের আইনজীবী তানিয়া বাজাই জানিয়েছিলেন, এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে পিটিআই নেতার সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড হতে পারে। এই মামলাতেই তার পরিণতি নির্ধারিত হবে।
তিনি আরও বলেছিলেন, ইমরান খান রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তার আইন ভঙ্গ করেছেন এবং নথিটি প্রকাশ্যে সমাবেশে দেখিয়েছেন। এটি রাষ্ট্রের প্রধান ও কূটনীতিকদের যোগাযোগের নথি।