আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বুধবার প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৪৬৫ ডলারে।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই স্বর্ণের বাজারে যে দরপতন ঘটেছিল, সাম্প্রতিক এই মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে তা পাল্টে গেছে। এটি মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত উদ্বেগ বা প্রত্যাশা কিছুটা কমে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সংকট বা যুদ্ধের শুরুতে বিনিয়োগকারীরা ধারণা করেছিলেন মূল্যস্ফীতি ও প্রকৃত বন্ডের সুদহার বাড়বে। এর ফলে সুদ বা কোনও লভ্যাংশ না পাওয়া সম্পদ স্বর্ণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন তারা। ফলে অস্থির সময়ে স্বর্ণ নিরাপদ সম্পদ হিসেবে কাজ করে, এমন ধারণাও তখন কিছুটা ধাক্কা খেয়েছিল।
তবে জুলাইয়ের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের পলিসিমেকারদের নীতি নির্ধারণী বৈঠকের পর বিনিয়োগকারীরা কিছুটা নমনীয় বার্তা পান, যার পরপরই স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে। এরপর বুধবার প্রকাশিত তুলনামূলক সহনীয় মূল্যস্ফীতি নির্দেশক (সিপিআই) প্রতিবেদন বাজারে বাড়তি আশাবাদ জোগায়।
তবে স্বর্ণের এই মূল্যবৃদ্ধির পেছনে আরও একটি সহজ কারণ থাকতে পারে। গত জুলাই মাসে চীন প্রায় ২০ মেট্রিক টন স্বর্ণ কিনেছে, যা ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর তাদের সবচেয়ে বড় ক্রয়। চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই দামও বাড়তি দিকে এগিয়েছে।
সূত্র: অ্যাক্সিওস

চিকেনস নেক-এ চতুর্থ রেললাইন অনুমোদন দিলো ভারত
সৌদি নেতৃত্বাধীন সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটে থাকছে তুরস্ক







