মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম রফতানিতে সরকারি বিধিমালা শিথিলে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। বুধবার (২ এপ্রিল) নাগাদ এ বিষয়ক ঘোষণা আসতে পারে বলে ধারণা করছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত চার ব্যক্তি। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই চার সূত্রের মধ্যে সরকারী ও বেসরকারি কর্মকর্তা রয়েছেন। নির্বাহী আদেশটি সত্যিই জারি হলে আরটিএক্স কর্প, লকহীড মার্টিন এবং বোয়িং সিও এর মতো বৃহৎ মার্কিন সামরিক ঠিকাদারদের রফতানির মাত্রা বৃদ্ধি পাবে।
সামরিক সরঞ্জাম রফতানিতে বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয় মার্কিন সরকারকে। বিভিন্ন দেশে নির্দিষ্ট অর্থমূল্যের সরঞ্জাম রফতানি করা যায়। আবার, রফতানির আগে কংগ্রেসকে এই বিষয়ে অবহিত করে অনুমতি নিতে হয়।
যেমন, পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র অস্ট্রেলিয়া, ইসরায়েল, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং নিউজিল্যান্ডে রফতানির ক্ষেত্রে অর্থমূল্যের নির্ধারিত সীমা অন্য দেশের চেয়ে বেশি। আবার এই দেশগুলোর ক্ষেত্রে কংগ্রেসকে অন্তত ১৫ দিন আগে অবহিত করার বিধান থাকলেও অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে তা ৩০ দিন।
মার্কিন অস্ত্র রফতানিতে সরকারি বিধিমালা নিয়ে নিজের প্রথম মেয়াদেও বিরক্ত ছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার অভিযোগ ছিল, মানবাধিকার বা অন্য কোনও কারণ দেখিয়ে কংগ্রেস সদস্যরা অস্ত্র রফাতানিতে বিলম্ব ঘটিয়ে থাকেন।
অস্ত্র রফতানি বিধিমালায় সংক্রান্ত নির্বাহী আদেশ নিয়ে হোয়াইট হাউজে যোগাযোগের চেষ্টা করে রয়টার্স কোনও সাড়া পায়নি।