চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ দশজন নিহত হয়েছে। এখনও দুর্ঘটনায় আহত তিনজন যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই নুরুল আলম আশিক বলেন, লোহাগাড়ায় দুর্ঘটনায় আহত তিনজনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এরমধ্যে সাত বছর বয়সী আরাধ্য বিশ্বাস নামে একটি শিশু কন্যা, দুর্জয় নামে এক যুবক এবং ২৩-২৪ বছর বয়সী এক নারী রয়েছে। বিকেল ৪টা পর্যন্ত ওই নারীর জ্ঞান ফেরেনি। তার নাম জানা যায়নি। তার অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছে পুলিশ।
হাসপাতালের শয্যায় শুয়ে থাকা শিশু কন্যা জানিয়েছে, তার নাম আরাধ্য বিশ্বাস। বাবার নাম দিলীপ বিশ্বাস, আর মা সাধনা রানী বিশ্বাস। তবে এর বেশি কিছু বলতে পারছে না। কিছুক্ষণ পর পর শিশুটি জ্ঞান হারাচ্ছে। শিশুটির পোশাকসহ কপালে লেগে আছে রক্তের দাগ।
চিকিৎসকরা বলেছেন, দুর্ঘটনায় শিশুটি গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। দুর্ঘটনায় শিশুটির দুটি পা ভেঙেছে। স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আহত শিশু আরাধ্য বিশ্বাস ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। দুর্ঘটনা কবলিত মাইক্রোবাসটিতে শিশুটির পিতা দিলীপ বিশ্বাস ও মা সাধনা রাণী বিশ্বাসও ছিল। তারাও মারা গেছেন। ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছেন শিশু আরাধ্য বিশ্বাস। এখনও নিহত বাকীদের নাম পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।
দোহাজারী হাইওয়ে থানার ওসি শুভরঞ্জন চাকমা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, রিল্যাক্স পরিবহনের বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে এখন পর্যন্ত ১০ জন মারা গেছেন। সাত জন ঘটনাস্থলে এবং তিন জন হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা গেছেন।