X
বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫
২০ চৈত্র ১৪৩১

ঝুলে আছে দুই হাজারেরও বেশি মৃত্যুদণ্ডাদেশ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তাগাদা

জামাল উদ্দিন
২২ জুলাই ২০২১, ০৯:০০আপডেট : ২২ জুলাই ২০২১, ১৮:০৯

দেশের কারাগারগুলোতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের বিপরীতে মামলা আছে দুই হাজার ১৩৭টি। মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রয়োজনে আইন মন্ত্রণালয়ের সহায়তা নিয়ে আলাদা সেল গঠন করে হলেও আদেশগুলোর নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কারা অধিদফতর সূত্র জানায়, সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে দেশের বিভিন্ন কারাগারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি রয়েছে দুই হাজার ১০ জন। কামিশপুর কারাগারে গত ১৫ জুলাই রাতে এক জেএমবি সদস্যের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। গত জুনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের এক সভায় এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে কারা অধিদফতরসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোকে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এই নির্দেশনা পাওয়ার পর কারা অধিদফতরের পক্ষ থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মামলা নিষ্পত্তি করতে সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিবকে জানানো হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন কারা অধিদফতরের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

উচ্চ আদালতে চলমান ডেথ রেফারেন্স এবং আপিল মামলাগুলো যাতে দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায়, সেজন্য আইন ও বিচার বিভাগের সঙ্গে দাফতরিক ও ব্যক্তিগত যোগাযোগও অব্যাহত রাখা হচ্ছে। তবে এখনও আলাদা সেল গঠন করা হয়নি।

স্বাধীনতার ৫০ বছরে দেশের কারাগারগুলোতে এ পর্যন্ত ৪৫৩ জন বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ঢাকা, গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার, হাইসিকিউরিটি কারাগার, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারসহ কয়েকটি জেলা কারাগারে সাধারণত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিদের মধ্যে অনেক জঙ্গি ও যুদ্ধাপরাধীও রয়েছে।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে মঙ্গলবার (২০ জুলাই) কারা অধিদফতরের আইজি প্রিজন্স ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোমিনুর রহমান মামুন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়টি কারা অধিদফতরের বিষয় নয়। আদালত ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে দণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয়।

তবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিদের নিয়ে আদালতের আদেশ কার্যকর ও নিষ্পত্তি সংক্রান্ত কমিটির সদস্য হিসেবে কারা অধিদফতর তার দাফতরিক কাজগুলো করে যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন বলেও জানান তিনি।

/এফএ/এমওএফ/
সম্পর্কিত
শিক্ষক হত্যার পর ১৩ বছর পলাতক, অবশেষে গ্রেফতার
কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় তিন জনের মৃত্যুদণ্ড
কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড
সর্বশেষ খবর
সব ম্যাচ জেতার ঘোষণা দিয়ে পাকিস্তানে গেলো বাংলাদেশ
সব ম্যাচ জেতার ঘোষণা দিয়ে পাকিস্তানে গেলো বাংলাদেশ
মাসে ৪০০ প্রবাসীর লাশ আসে দেশে
মাসে ৪০০ প্রবাসীর লাশ আসে দেশে
ফুচকা খেয়ে হাসপাতালে ভর্তির ঘটনায় মামলা, দোকানি গ্রেফতার
ফুচকা খেয়ে হাসপাতালে ভর্তির ঘটনায় মামলা, দোকানি গ্রেফতার
বিমসটেকে সমুদ্র পরিবহন সহযোগিতা চুক্তি সই
বিমসটেকে সমুদ্র পরিবহন সহযোগিতা চুক্তি সই
সর্বাধিক পঠিত
সাবেক এমপি-মেয়রসহ আ.লীগের তিন নেতার বাসায় হামলা-ভাঙচুর
সাবেক এমপি-মেয়রসহ আ.লীগের তিন নেতার বাসায় হামলা-ভাঙচুর
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলো যুক্তরাষ্ট্র
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলো যুক্তরাষ্ট্র
দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে পাসপোর্ট অধিদফতর
দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে পাসপোর্ট অধিদফতর
আমরা কানেক্টিভিটি চাপিয়ে দেবো না, সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে হাইরিপ্রেজেন্টেটিভ
আমরা কানেক্টিভিটি চাপিয়ে দেবো না, সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে হাইরিপ্রেজেন্টেটিভ
বাংলাদেশের প্রতিবেশী নীতির কি পরিবর্তন হচ্ছে
বাংলাদেশের প্রতিবেশী নীতির কি পরিবর্তন হচ্ছে