সেকশনস

সিঙ্গাপুর সায়েরি | পর্ব-০১

আপডেট : ০৩ জুলাই ২০২০, ১৪:০৮

 

তালে পড়ার জন্য খুব বেতাল লেভেলের বড় মানুষ হওয়া লাগে না। আমার মতোন ছদেরদ্দি লেভেলেও তাল দেয়া আর তালে পড়ার ব্যাপার থাকে। সেই রকমের এক তালে পড়েই বলা যায় সিঙ্গাপুর সফরের মতো এত রদ্দি এক জিনিস নিয়ে লিখতে বসেছি। এই যুগে সিঙ্গাপুর যায় মানুষ কথায় কথায়। বুকে ব্যথার ডাক্তার দেখাতে, ছেলের বিয়ের আংটি কিনতে, ডিসেম্বরে ছেলেপেলেদের ছুটি কাটাতে অহরহ মানুষ সিঙ্গাপুর যাচ্ছে। সেই সিঙ্গাপুর সফরের বয়ান লিখতে এই যুগে যে বসে তারে কতখানি তালে পেয়েছে তা আপনাদেরকে বুঝিয়ে বলার কিছু নেই। তাকে খালি তালে পায়নি, যথারীতি ভ্যারোনতালে পেয়েছে। ভ্যারোনতালটা যে কেমন তাল তা আভিধানিকভাবে আমিও পুরোপুরি জানি না। ছোটবেলা থেকে বাপ-চাচার কাছে শুনে এসেছি তালে তালে অনেক বেতালে পড়লে বাপ-চাচারা তার বয়ান দিতেন ‘ভ্যারোনতাল’ নামক বস্তু দিয়ে। মনে হচ্ছে বাপ-চাচারে জানিয়ে যাই—‘দেখ, তোমাদের ছেলে কতখানি কাবেল হয়েছে, সে এখন ভ্যারোনতালেও পড়ে’। আমার এই ভ্যারোনতালের মতো তালের পিছনে রয়েছে করোনার মহাকারণ, আরও আছে কিছু করার না থাকার সময় পাশের দুয়েকজনের খোঁচার কারণ—‘এই করো না কেন, সেই করো না কেন’। আর ‘এই করো না’ ‘সেই করো না’র তালেই শেষ পর্যন্ত মনে হলো সিঙ্গাপুর সফরখানা বাসি হয়ে যাচ্ছে, তো তারে নিয়েই একখানা ‘সেই’ করি। করা শেষ হলে পাশের যারা খোঁচাচ্ছেন তাদেরকে বলবো, এই যে ‘সেই’ করেছি, এবার আপনি যা খুশি করেন এই দিয়ে।

বয়ানখানা একটু পিছন দিয়েই শুরু করি। মাত্র তো সাড়ে পাঁচখানা দিনের কথা। খুব তাড়াতাড়ি যাতে শেষ না হয়ে যায়। বেশ কয়েক বছর আগে ২০০৮ সনে এই দেশে একখানা সফর করেছিলাম একা। সেইবারই জীবনে প্রথম বিমানে চড়েছিলাম। লেখা তো উচিত ছিল তখন। কিন্তু তখন করোনার কারণ না থাকায়ই হয়তো লেখাটা হয়নি। এরপর ২০১৭ সালে বউছেলেমেয়ে নিয়ে আরেকবার এই দেশে যাওয়ার এরাদা হয়েছিল কিন্তু যাওয়া হয়েছিল না। না যাওয়ার কারণটা লজ্জাজনক। ভিসা পেয়েছিলাম না। ঐবারে এক সফরে ঘোরার নিয়ত করেছিলাম মালয়েশিয়ায় ও সিঙ্গাপুরে। মালয়েশিয়ার ভিসা আমি এখান থেকে করবো আর সিঙ্গাপুরের ভিসা আমার বন্ধু ইউনুস আমাদের জন্য করে দেবে। মালয়েশিয়ার ভিসা নাও পেতে পারি, কিন্তু সিঙ্গাপুরের ভিসা তো কনফার্মড, কারণ সেটা করবে আমার স্কুলজীবনের বন্ধু ইউনুস হাওলাদার। ইউনুস হাওলাদার হলো সিঙ্গাপুর স্ক্যানরাইজ ম্যারিন প্রাইভেট লি. এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও ডিরেক্টর, বউছেলেমেয়ে সবসহ সিঙ্গাপুরের নাগরিক। তার আবেদনকৃত ভিসা হবে না—এটা কি মগের মুল্লুক নাকি? আমার ভাবখানা পুরো এমন। শেষ পর্যন্ত সেই মগের মুল্লুকের কাহিনিখানাই ঘটলো। আমার বিশাল বড়লোক ও ক্ষমতাধর বন্ধু তিনবার আমাদের জন্য ভিসার আবেদন করলো। একবারও ভিসা হলো না। এখানকার আয়োজনে মালয়েশিয়ার ভিসাটা আমরা সবাই পেয়ে গিয়েছিলাম। ভ্রমণের তারিখ, ছুটি সব আগে থেকে ফিক্সড হয়ে ছিল। নতুন করে এখান থেকে সিঙ্গাপুরের ভিসার আবেদন করার আর সময় ছিল না। ফলে বউছেলেমেয়ে নিয়ে ঘুরে আসা হলো মালয়েশিয়া থেকে। বন্ধু ইউনুস নিজে চলে আসলো মালয়েশিয়ায় আমাদেরকে সঙ্গ দিতে। সিঙ্গাপুর আর সেবার যাওয়া হলো না।

সিঙ্গাপুরের সেই কাজা সফর আদায় করার আবার সময় হলো এ বছরের শুরুর দিকে অর্থাৎ ২০২০ সালের জানুয়ারিতে। এবারে আর বন্ধুর আবেদনে ভিসা নয়। আমরা নিজেরাই ঢাকা থেকে আবেদন করলাম। বউয়ের যাওয়ার সুযোগ নেই। তিনি গত বছরে একবার বিদেশ ভ্রমণ করেছেন। তাঁর ব্যাংক থেকে দু’বছরে একবার বিদেশ ভ্রমণের ছুটি হয়। ফলে তিনি আগে থেকেই বাদ। রইলাম আমরা বাবা আর তিন ছেলেমেয়ে। তাদের মধ্যে ছেলেখানা আবার ‘যাবে না’ ‘যাবে না’ করছে। কারণ, আমার বন্ধুর বাসায়ও চারটি ছেলেমেয়ে আছে আর সেখানে থাকতে হলে স্বাভাবিকভাবেই তাদের সাথে দুয়েকটা কথাবার্তা বলতে হবে—এই লজ্জা তার কাছে এত বড় ব্যাপার যে, এমন লজ্জায় পড়লে সে সিঙ্গাপুর তো ছার, স্বর্গে যেতেই রাজি হয় কিনা সন্দেহ। পরে যখন জানা গেল যে, আমার বন্ধু আমাদের থাকার জন্য আলাদা বাসারই ব্যবস্থা করে রেখেছে তখন ভেতরে ভেতরে একটু মুচকি হেসে সে-ও সুড়সুড় করে রাজি হয়ে গেল। সব আয়োজন শেষ করে আমাদের বরিশাল থেকে রওয়ানা দেয়ার তারিখ হলো ১৩ জানুয়ারি। 

লঞ্চে আমরা দুই ছেলেমেয়ে আর এক বাবা। বড় মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞানে প্রথম বর্ষে পড়ছে। সে আমাদের সাথে কাল যোগ দেবে ঢাকা থেকে। সাথে রয়েছে ছেলে ও ছোট মেয়ে। ছেলে বরিশাল জিলা স্কুলে ক্লাস টেন, ছোট মেয়ে বরিশালে একটা ইংলিশ ভার্সন স্কুলে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। ছেলেমেয়েদেরকে বিদেশ দেখাতে নিয়ে যাচ্ছি কিন্তু তার কোনো উত্তেজনা তাদের মধ্যে দেখতে পাচ্ছি না। ভাবলাম গুগল ঘেটেঘুটে সিঙ্গাপুর সম্পর্কে ছেলেমেয়েদেরকে কিছু বলি, দেখি দেশটা সম্পর্কে কিছু কৌতূহল তৈরি হয় কিনা। বললাম, বাবারা শোন, ‘সিঙ্গাপুর দেশটা সম্পর্কে তোমাদেরকে কিছু কথা বলি। দেখ, দেশটা তোমাদের পছন্দ হয় কিনা’। দুজনই হাতের গেম ছেড়ে কিছুটা অনিচ্ছায় কিছুটা ভদ্রতায় এসে পাশে বসলো। আমি বলতে শুরু করলাম।

আমার মনে হয় দেশটা তোমাদের পছন্দ হবে, কারণ ইতিহাস ও ভূগোল উভয়দিকেই এর কিছু পিকিউলিয়ার বিষয় আছে যা এর ট্যুরিস্টদেরকে ব্যাপক মজা দেয়। তোমাদের পছন্দের জন্য প্রথমে বলতে চাই, তোমরা দাদুবাড়ি গিয়ে যেহেতু খাল পছন্দ কর সেহেতু সিঙ্গাপুর দেশটা তোমাদের পছন্দ হওয়ার কথা, কেননা, এর খালের ঐতিহ্যটা সুন্দর। আর দেখ, তোমাদের দাদুবাড়ি রাজাপুরে যেমন নামের সাথে একটা পুর আছে এর নামেও কিন্তু তেমন একটা পুর আছে। আর আগেই বলে রাখি, আমাদের রাজাপুরের ‘পুর’টা যে-ভাষা থেকে আসা ‘পুর’, সিঙ্গাপুরে ‘পুর’টাও সেই ভাষা থেকেই আসা। দুই পুরেরই এক অর্থ। এসব আরও জানতে কি তোমাদের কিছুটা ইচ্ছে হয়? আমতা আমতা করে সকলেই একটা হ্যাঁ-বাচক উত্তর দিলো। আমি ঐ নিমরাজিকেই রাজি ধরে বলতে লাগলাম।

সিঙ্গাপুর দেশ হিসেবে কতটুকু জানো? মাত্র নয় ঘণ্টা সাইকেলে চড়ে এর চারপাশটা একবার ঘুরে আসা যায়। আর এটা কোনো গল্প না। ঠিক গেল বছর ৫ ফেব্রুয়ারি স্পাইদুজ নামে একটা ছেলে এই কাম করে দেখিয়েছে। পুরো সিঙ্গাপুরের প্রায় গোলাকার পরিধিটার  উপর দিয়ে সাইকেলে ঘুরে আসতে বিশ্রাম বাদ দিয়ে তার মোট সময় লেগেছে মাত্র নয় ঘণ্টা। দেশটির সর্বোচ্চ দূরের দুই মাথা হলো তুয়াস সাউথ বুলেভার্দ আর চাঙ্গি ফেরি টার্মিনাল। এই দূরতম দুই মাথার দূরত্ব হলো মাত্র ৬০ কিলোমিটার। মোট আয়তনে বালাদেশ ঐ দেশটির চাইতে ২০৬ গুণ বড়। অথচ গত বছরের বাজেটে দেখা যায় ঐ দেশের বাজেট বাংলাদেশের বাজেটের ২০৬ ভাগের ১ ভাগ নয়, বরং পুরোপুরি সমান। এমন পুচকে একটি দেশ কীভাবে পৌঁছলো এই জায়গায় ব্যাপারটা জানার মতো নয় কি?

এটা আসলে কোনো দেশই না। এর কোনো নিজের ভাষা নেই, কোনো নিজস্ব জাতি নেই এবং এমনকি জাতীয় সংস্কৃতি বলতেও এদেশের কিছু নেই। ১৯৬৫ সালের আগে এই দেশের মানুষেরা নিজেরাও জানতো না যে, এটা একটা দেশ হতে পারে। খুব ধারের ইতিহাসে চোখ বোলালেই দেখা যায় কত অসম্ভবের ভিতর থেকে সম্ভব হয়েছে এই দেশটি। তবে ইংরাজদের সুবাদে এক সময় এই দেশের সাথে আমাদের একটা খালাতো ভাই-জাতের সম্পর্ক ছিল। আমরা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনাধীনে চলে গিয়েছিলাম বলা যায় ১৭৫৭ সালে। এর পৌনে একশো বছর পরে ১৮২৬ সালে এই দেশখানাও আরও এই রকম তিনখানা অঞ্চলসহ (পেনাঙ, মালাক্কা ও ডিনডিং) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনাধীনে চলে এসেছিল। এরপর থেকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও পরবর্তীতে খোদ বৃটিশরাজের সুবাদে এদের সাথে আমাদের খালাতো ভাই সম্পর্কটা ১৯৪৭ অবধি বহাল ছিল। আর খালাতো ভাই সম্পর্কে এর চেয়েও বড় জায়গা হলো এর নাম—‘সিঙ্গাপুর’। নামটা একেবারে আমাদের সংস্কৃত ‘সিংহপুর’ থেকে পল্টি খেয়ে মালে ভাষায় ‘সিঙ্গাপুরা’য় পরিণত হয়েছে। সিঙ্গাপুরের ‘সিংহ’ ও ‘পুর’ দুটোই একেবারে খাস আমাদের জিনিস। যেমনটা আগেই বলেছিলাম, তোমাদের দাদুবাড়ি রাজাপুরের ‘পুর’ ও যেই ‘পুর’ (নগর অর্থে), সিঙ্গাপুরের ‘পুর’ ও সেই একই ‘পুর’। ছেলে এতক্ষণে একটু মুখ খুললো, বললো—এত টাকা খরচ করে আর এত ঘটা করে আমরা দাদু বাড়ি যেতে চাই না। তবে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বা বৃটিশরাজের খপ্পর থেকে এই দেশ কীভাবে ছাড়া পেলো সেই বিষয়টা আরেকটু বলতে পারো। বোঝা গেল একটু কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

উডল্যান্ড ওয়াটাফ্রন্টে লেখক ও তার বন্ধু মোফাজ্জল হোসেন

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৮১৯ সালে প্রথম সিঙ্গাপুরে তাদের খুঁটি গাড়ে এবং এটাকে তাদের একটি বাণিজ্য কেন্দ্র বানায়। তখন সিঙ্গাপুর ছিল জোহোর রাজ্যের অংশ আর জোহোর রাজ্যের বাদশাহ ছিলেন আলাউদ্দিন রিয়াত শাহর বংশধরেরা। মাত্র পাঁচ বছরের মাথায় সুলতানের কাছ থেকে সিঙ্গাপুর কেড়ে নেয় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। ১৮২৬ সালে পেনাঙ, মালাক্কা ও ডিনডিং এর সাথে জোড়া দিয়ে এটাকে তাদের একটি সেটেলমেন্ট বানায় আর নাম দেয় স্ট্রেইট সেটেলমেন্ট যা বাংলা করলে দাঁড়ায় খাল সেটেলমেন্ট [এখানে সেটেলমেন্টের বাংলা কী হবে তা আমি বুঝতে পারছি না]। ঐ যে বলেছিলাম, সিঙ্গাপুরের একটা খালের ঐতিহ্য আছে, তা কিন্তু এখান থেকেই শুরু। ১৮৬৭ সাল পর্যন্ত প্রথমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এবং পরে খোদ বৃটিশরাজ এই খাল সেটেলমেন্ট শাসন করতো তাদের কলকাতাস্থ ঘাঁটি থেকে। ফলে বলা যায় ১৮২৬ সাল থেকে ১৮৬৭ সাল পর্যন্ত সিঙ্গাপুরের রাজধানী ছিল আমাদের বাঙালি শহর কলকাতা। ১৮৬৭ সালে এর একটু উন্নতি হয়, এর শাসন চলে যায় সরাসরি লন্ডনে। আর ১৮৬৭ সাল থেকেই খাল সেটেলমেন্টের মূল কেন্দ্র পেনাঙকে টেক্কা দিয়ে উপরে উঠতে থাকে সিঙ্গাপুর। ১৯৪২ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান সিঙ্গাপুরকে বছর তিনেকের জন্য বৃটেনের কাছ থেকে কেড়ে নিতে পারলেও ১৯৪৬ সালে এটম বোমা খেয়ে জাপান সব খোয়ানোর মধ্যে সিঙ্গাপুরও খোয়ায় আবার সেই বৃটেনের কাছে। ১৯৬৩ সালে বৃটেন অনেক ঘাইঘুই খেয়ে ঘরের ছেলেকে ঘরে ফিরিয়ে দেয় এবং সিঙ্গাপুর যুক্ত হয়ে যায় বর্তমান মালয়েশিয়ার সাথে। কিন্তু মালয়েশিয়া দেখে এ ছেলে নিয়ে ঘরে শান্তি নেই। এর ঘরে অনেক অশান্তি। ১৯৬৪ সালে একদিনে এদের ঘরে মালে আর চাইনিজদের মারামারিতে ২৩ জন নিহত হয় আর পাঁচশোর মতো গুরুতর আহত হয়। এই সব দেখেশুনে মালয়েশিয়ার টুংকু আবদুর রহমানের তখন ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা। তিনি পার্লামেন্ট ডেকে বললেন, এই অশান্তির ছেলেকে ঘরে রাখা যাচ্ছে না, চলেন একে আমরা কাগজে কলমে জুদা করে দেই। যেই কথা সেই কাজ। পার্লামেন্টের ১২৬ জন সদস্য সবাই একলগে মারহাবা বলে সিঙ্গাপুরকে ১৯৬৫ সালের ৯ আগস্ট জোর করে স্বাধীন করে দিলো। দেখলে কী সুন্দর স্বাধীনতা! বাংলাদেশ ৯ মাস যুদ্ধ করে যা অর্জন করেছিল, আর কাশ্মীর ৭৩ বছর ধরে যুদ্ধ করেও যা অর্জন করতে পারেনি, সিঙ্গাপুর তা-ই অর্জন করলো একেবারে মাগনা। একেই বলে কপাল! চলবে

//জেডএস//

সম্পর্কিত

তিস্তা জার্নাল । শেষ পর্ব

তিস্তা জার্নাল । শেষ পর্ব

তিস্তা জার্নাল । পর্ব ৯

তিস্তা জার্নাল । পর্ব ৯

তিস্তা জার্নাল । পর্ব ৮

তিস্তা জার্নাল । পর্ব ৮

তিস্তা জার্নাল । পর্ব ৭

তিস্তা জার্নাল । পর্ব ৭

তিস্তা জার্নাল । পর্ব ৬

তিস্তা জার্নাল । পর্ব ৬

তিস্তা জার্নাল । পর্ব ৫

তিস্তা জার্নাল । পর্ব ৫

তিস্তা জার্নাল | পর্ব চার

তিস্তা জার্নাল | পর্ব চার

তিস্তা জার্নাল | পর্ব তিন

তিস্তা জার্নাল | পর্ব তিন

সর্বশেষ

বাংলাদেশের সাহিত্য : স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর | প্রথম পর্ব

বাংলাদেশের সাহিত্য : স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর | প্রথম পর্ব

ক্রায়িং রুম

ক্রায়িং রুম

মাল্লাম ইলিয়ার (এ কেমন) বিচার

মাল্লাম ইলিয়ার (এ কেমন) বিচার

ঝুম শব্দে কাঁপে নদী

ঝুম শব্দে কাঁপে নদী

তরুণ লিখিয়ের খোঁজে জলধি

তরুণ লিখিয়ের খোঁজে জলধি

রাষ্ট্রভাষা-আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু : বিদ্বেষ-বন্দনা বনাম ঐতিহাসিক সত্য

রাষ্ট্রভাষা-আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু : বিদ্বেষ-বন্দনা বনাম ঐতিহাসিক সত্য

চাকরি ও সংসার হারানো বায়ান্নর মমতাজ বেগম

চাকরি ও সংসার হারানো বায়ান্নর মমতাজ বেগম

কারামা ফাদেলের ‘অপেক্ষার যন্ত্রণা’

ফিলিস্তিনি গল্পকারামা ফাদেলের ‘অপেক্ষার যন্ত্রণা’

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ


[email protected]
© 2021 Bangla Tribune
Bangla Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis.