সেকশনস

আইসিজে’র রুলিং দিয়ে বাংলাদেশের কী লাভ?

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০২০, ১৬:২৯

রাহমান নাসির উদ্দিন ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে) বা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত গত ২৩ জানুয়ারি মিয়ানমারের বিরুদ্ধে একটি প্রভিশনাল মেজর বা সাময়িক বা অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য একটি যুগান্তকারী আদেশ প্রদান করে, যা নিয়ে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। এ আদেশে চারটি অংশ—এক. ১৯৪৮ সালের জেনোসাইড কনভেনশন অনুযায়ী রোহিঙ্গারা সুরক্ষা পাওয়ার দাবি রাখে। সুতরাং জেনোসাইড কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্র হিসেবে মিয়ানমারকে কনভেনশনের ২ ধারা অনুযায়ী রাখাইনে অবস্থিত প্রায় ৬ লাখ রোহিঙ্গার সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। দুই. সামরিক বাহিনী, আধা-সামরিক বাহিনী এবং বেসরকারি কোনও অস্ত্রধারী ব্যক্তি কোনোভাবে যেন কোনও ধরনের জেনোসাইড সংগঠনের চেষ্টা, উসকানি বা পরিকল্পনা না করে, সেখান থেকে সবাইকে বিরত রাখার জন্য মিয়ানমার তার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তিন. ২০১৭ সালে যে জেনোসাইড সংঘটিত হয়েছিল বলে গাম্বিয়া দাবি করছে তার কোনও আলামত যাতে নষ্ট না হয়, তার যথাযথ সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। চার. আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে চার মাসের মধ্যে এ আদেশ অনুযায়ী মিয়ানমার কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তা আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতের কাছে রিপোর্ট আকারে পেশ করতে হবে। এবং এরপর প্রতি ছয় মাস অন্তর অন্তর মিয়ানমার এ আদেশের ফলোআপ আদালতের কাছে জমা দেবে। গাম্বিয়া মিয়ানমারের রিপোর্টের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতের কাছে পুনরায় প্রতিবেদন জমা দেবে। প্রাসঙ্গিক বিবেচনায় উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের আগস্টের ২৫ তারিখের পর থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের অধিবাসী রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যা, নির্যাতন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ ও জেনোসাইড সংঘটনের অপরাধে অভিযুক্ত করে ২০১৯ সালের নভেম্বরের ১১ তারিখ দক্ষিণ আফ্রিকার মুসলিম প্রধান একটি ছোট দেশ গাম্বিয়া আইসিজেতে একটি মামলা করে। গাম্বিয়ার মামলার সূত্র ধরে ডিসেম্বরের ১০-১২ তারিখ দুই পক্ষের (মিয়ানমার এবং গাম্বিয়া) মধ্যে চার দফা শুনানি হয় এবং শুনানি শেষে গত ২৩ জানুয়ারি ২০২০ সালে আইসিজে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে যে রুলিং বা আদেশ প্রদান করে তা বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। বাংলাদেশেও প্রত্যাশিতভাবেই বেশ ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া লক্ষ করা যাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া আইসিজের এ আদেশকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে ফলাও করে প্রচার করেছে এবং মিয়ানমারের ‘উচিত শিক্ষা হয়েছে’ ধরনের প্রতিক্রিয়া রাষ্ট্র করছে। অনেকে বলেছেন, এ আদেশ রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখবে; অনেকে বলছেন এ আদেশের মধ্য দিয়ে সত্যিকার অর্থে মানবতার জয় হয়েছে; আবার অনেকে বলছেন এ আদেশ মিয়ানমারের ওপর তীব্র চাপ তৈরি করবে, যা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে। আমি আনক্রিটিক্যালি এ ধরনের গড্ডলিকা প্রবাহে ভাসা মৌসুমি আবেগ এবং উত্তেজনাকে ‘সাবস্ক্রাইভ’ করি না। তাই, পুরো বিষয়টির অনুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করে আমি উপলব্ধির চেষ্টা করেছি আইসিজের রুলিং দিয়ে আসলে বাংলাদেশের কী লাভ!

এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই, এ রুলিং রোহিঙ্গাদের খুশি করেছে (তবে, আশান্বিত করেছে কিনা আমি সন্দিহান!) এবং খুব স্বাভাবিক কারণেই মিয়ানমারকে ব্যথিত করেছে। পাশাপাশি ইউনিভার্সেল জাস্টিসের বা সার্বজনীন ন্যায়বিচারের যে ধারণা, সেটা খানিকটা হলেও এ আদেশের মধ্য দিয়ে প্রতিভাত হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, রোহিঙ্গাদের প্রতি যে নির্যাতন এবং জুলুম হয়েছে, তার বিচার চেয়ে যে গ্লোবাল অ্যাকটিভিজম আমরা লক্ষ করেছি, সেটাও খানিকটা সফল হয়েছে বলা যায়। কিন্তু এতে করে বাংলাদেশের কী লাভ? বাংলাদেশ ১৩ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে, তাদের লালন-পালন করছে, এবং এ বিপুল সংখ্যক শরণার্থীর চাপ টেকনাফ-উখিয়া-কক্সবাজারসহ বাংলাদেশের মানুষকে বহন করতে হচ্ছে। জাতিসংঘের এক হিসাব অনুযায়ী দুই বছরে (আগস্ট ২০১৭-আগস্ট ২০১৯) রোহিঙ্গাদের পেছনে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১২৫ কোটি মার্কিন ডলার। এর সবই এদেশের মানুষের করের টাকা, যা জনগণের পকেট থেকে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হয়। তাই, আন্তর্জাতিক ফোরামে এসব মামলা-মোকদ্দমা এবং আইসিজের এসব আদেশ রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশকে কীভাবে সাহায্য করতে পারে, সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। আমার বিবেচনায় বাংলাদেশের লাভ হয়েছে বা হবে মোটা দাগে তিনটি।

এক. আইসিজের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যে ৬ লাখ রোহিঙ্গা অবশিষ্ট আছে, তারা এখনও মারাত্মকভাবে জেনোসাইডের ঝুঁকির মধ্যে আছে। এটাই প্রমাণ করে বাংলাদেশে শরণার্থী হিসেবে বাস করা রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে বেড়াতে আসেনি বরং জেনোসাইডের হাত থেকে বাঁচার জন্য লাখ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে কোনও রকমে ‘জান’ হাতে নিয়ে পালিয়ে এসেছে। তাই, বাংলাদেশ জান হাতে নিয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে একটা বড় হৃদয়ের পরিচয় দিয়েছে, কিন্তু তার অর্থ এই নয়, এ লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে শরণার্থী হিসেবে সারাজীবন বাংলাদেশের মাটিতে আশ্রয় দিয়ে রাখতে হবে এবং ভারণ-পোষণ করতে হবে। এ রায়ের মধ্য দিয়ে এটা আবারও প্রমাণ হলো, রোহিঙ্গারা জেনোসাইডের শিকার এবং মিয়ানমার সে জেনোসাইড সংঘটন করেছে। আর বাংলাদেশ হচ্ছে এ পুরো সংকটের একটি নির্দোষ ভুক্তভোগী দেশ (ভিকটিম উইথ নো রিজন)। পুরো সংকটে যার কোনও ধরনের সম্পৃক্ততা নেই, অথচ তাকেই পুরো সংকটের ভার বহন করতে হচ্ছে—এ নির্মম সত্যটি বিশ্ববাসীর সামনে নতুন করে উপস্থাপিত হয়েছে। এ আদেশের মধ্য দিয়ে এটাই বাংলাদেশের নগদ লাভ। 

দুই. বাংলাদেশ দুই দফা প্রত্যাবাসন চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে প্রধানত মিয়ানমারের অসহযোগিতার কারণে। প্রথম দফা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা ছিল ২০১৮ সালের নভেম্বরের ১৫ তারিখ, আর দ্বিতীয় দফা প্রত্যাবাসনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল ২০১৯ সালের আগস্টের ২২ তারিখ। কিন্তু উভয় দফা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ব্যর্থ হয়েছিল মিয়ানমারের পর্যাপ্ত প্রস্তুতিহীনতা, দৃশ্যমান অনাগ্রহ এবং রোহিঙ্গাদের বিশ্বাসযোগ্য কোনও আশ্বাস দিতে না পারার কারণে। রোহিঙ্গাদের অনেক বোঝানোর পরও তারা স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে ফিরে যেতে রাজি হচ্ছিল না, যার অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য রোহিঙ্গাদের এখনও নিরাপদ নয় বলে রোহিঙ্গারা বারবার নিজেদের আশঙ্কার কথা বলেছিলেন। আইসিজের আদেশে এ বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, মিয়ানমারে যে অবশিষ্ট রোহিঙ্গারা বসবাস করছে তারা এখনও সিরিয়াসলি জেনোসাইডের ঝুঁকির মধ্যে আছে এবং যেকোনও মুহূর্তে নির্যাতনের শিকার হতে পারে। যে কারণে, আইসিজে অবশিষ্ট রোহিঙ্গাদের যেকোনও ধরনের জেনোসাইডের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষার জন্য মিয়ানমারকে নির্দেশ দিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে এটাই প্রমাণিত হয়, রোহিঙ্গারা যে জীবনের নিরাপত্তাহীনতার কারণে মিয়ানমারে ফিরতে রাজি হচ্ছে না, সেটা মোটাদাগে সত্য। এটা প্রকারান্তরে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিকভাবে নতুন করে চাপ সৃষ্টির একটা ক্ষেত্র তৈরি করবে, যা শেষ বিচারে বাংলাদেশ যে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর নিত্য চেষ্টা করছে, তাকে বেগবান করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

তিন. আইসিজের এ আদেশের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় লাভ হয়েছে রোহিঙ্গা ইস্যুটি আন্তর্জাতিক ফোরামে নতুন করে অত্যন্ত গুরুত্ব এবং তাৎপর্যের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে। কেননা আইসিজে রোহিঙ্গাদের সপক্ষে ও মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আদেশ দিতে গিয়ে বাংলাদেশ যে প্রায় ১৩ লাখ নির্যাতিত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে অনেক বড় মানবতার পরিচয় দিয়েছে, সেটা নতুন করে বিশ্ববাসীর সামনে এসেছে। এখানে মনে রাখা জরুরি, প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উখিয়া এবং টেকনাফে আশ্রয় দিতে গিয়ে তাদের ভরণ-পোষণ এবং লালন-পালনের জন্য যে পরিমাণ আন্তর্জাতিক সাহায্য-সহযোগিতা পাওয়ার কথা, সেটা ক্রমান্বয়ে কমে আসছে। এ ক্রমহ্রাসমান আন্তর্জাতিক সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশ সরকার বেশ কয়েকবার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, কেননা যদি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে, এতো বিপুল সংখ্যক শরণার্থী রক্ষণাবেক্ষণে বাংলাদেশ একটা বড় ধরনের সংকটের মধ্যে পড়বে। সংকটের মধ্যে পড়বে প্রায় ১৩ লাখ নির্যাতিত এবং নিজের ঘরবাড়ি-ভিটামাটি থেকে বিতাড়িত শরণার্থী। আইসিজের এ রায়ের মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গাদের বর্তমান অবস্থা পুনরায় বিশ্বসম্প্রদায়ের সামনে উন্মোচিত হয়েছে এবং বাংলাদেশের কাঁধের ওপর একা যে চাপ পড়ছে, সেটাও বিশ্ববাসীর সামনে অবগুণ্ঠিত হয়েছে। ফলে, আমরা আশা করতে পারি আইসিজের রায়ের মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গাদের প্রতি বিশ্ববাসীর সমবেদনা নতুন করে জাগ্রত হবে এবং বাংলাদেশে বসবাসরত ১৩ লাখ রোহিঙ্গার ভরণ-পোষণের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাবে।

পরিশেষে বলবো, আইসিজেতে বাদী হিসেবে মামলা করেছে গাম্বিয়া এবং মামলার অভিযুক্ত বিবাদী হচ্ছে মিয়ানমার। ফলে, এখানে বাংলাদেশ মামলার কোনও পক্ষ নয় এবং মামলা-মোকদ্দমা কেন্দ্রিক আইনের কাঠামোতে বাংলাদেশের কোনও পক্ষ-বিপক্ষ অবস্থান না থাকলেও বাংলাদেশ কিন্তু এ মামলার সবচেয়ে বড় অংশীজন। সে কারণেই এ মামলায় দেওয়া প্রাথমিক নির্দেশনার মধ্য দিয়ে যদি মিয়ানমার জাতিসংঘের জেনোসাইড কনভেনশন ১৯৪৮-এর আর্টিক্যাল ২ ধারা অনুযায়ী মিয়ানমারে অবশিষ্ট রোহিঙ্গাদের সুরক্ষার ব্যবস্থা করে এবং নতুন কোনও ধরনের আক্রমণ বা জেনোসাইডের পরকিল্পনা বা চিন্তা থেকে সামরিক, আধা-সামরিক এবং অস্ত্রধারী বেসরকারি লোকের আক্রমণ থেকে রোহিঙ্গাদের রক্ষা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তাহলে বাংলাদেশে বসবাসকারী ১৩ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর মধ্যে একধরনের আস্থা এবং বিশ্বাসের জন্ম নেবে। ফলে, এ মামলার প্রাথমিক নির্দেশনা এবং চূড়ান্ত রায়, দুটোই যদি গাম্বিয়ার পক্ষে যায় অর্থাৎ রোহিঙ্গাদের পক্ষে যায়, শেষ বিচারে লাভবান হবে বাংলাদেশ। আইসিজের মামলার কোনও পক্ষ বা প্রতিপক্ষ না হয়েও বাংলাদেশ যেমন নিরপেক্ষ নয় (অবশ্যই বাংলাদেশ গাম্বিয়ার পক্ষে), তেমনি এ মামলায় রায় যদি ইতিবাচক হয়, কোনও পক্ষ না হয়েও সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে বাংলাদেশ। বাকিটা সময়ের হাতে ছেড়ে দিতে হবে, কেননা সময়ই সবসময় শ্রেষ্ঠ বিচারক। 

লেখক: নৃবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।   

 

/এসএএস/এমএমজে/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

সম্পর্কিত

মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থান ও গণতন্ত্রের জন্য ‘বেহুদা’ বিলাপ!

মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থান ও গণতন্ত্রের জন্য ‘বেহুদা’ বিলাপ!

জাতিসংঘে গৃহীত রেজ্যুলেশন ও রোহিঙ্গা সমস্যা!

জাতিসংঘে গৃহীত রেজ্যুলেশন ও রোহিঙ্গা সমস্যা!

বাইডেন ট্রাম্পকে হারিয়েছেন, কিন্তু ‘ট্রাম্পইজম’ কি হেরেছে?

বাইডেন ট্রাম্পকে হারিয়েছেন, কিন্তু ‘ট্রাম্পইজম’ কি হেরেছে?

কেন রোহিঙ্গারাই রোহিঙ্গাদেরকে হত্যা করছে?

কেন রোহিঙ্গারাই রোহিঙ্গাদেরকে হত্যা করছে?

রোহিঙ্গা ঢলের তিন বছর!

রোহিঙ্গা ঢলের তিন বছর!

বঙ্গবন্ধু ও তাঁর রাজনীতির মূলমন্ত্র

বঙ্গবন্ধু ও তাঁর রাজনীতির মূলমন্ত্র

দন্তহীন বাঘ জাতিসংঘকে ‘দাঁত’ গজাতে হবে!

দন্তহীন বাঘ জাতিসংঘকে ‘দাঁত’ গজাতে হবে!

করোনাকালে রোহিঙ্গারা কেমন আছে?

করোনাকালে রোহিঙ্গারা কেমন আছে?

‘সামাজিক দূরত্ব’ নয়, ‘শারীরিক দূরত্ব’ বজায় রাখুন!

‘সামাজিক দূরত্ব’ নয়, ‘শারীরিক দূরত্ব’ বজায় রাখুন!

সর্বশেষ

শেষ টি-টোয়েন্টিতে জমা থাকলো সব রোমাঞ্চ

শেষ টি-টোয়েন্টিতে জমা থাকলো সব রোমাঞ্চ

কর্মক্ষেত্রে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে মানববন্ধন

কর্মক্ষেত্রে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে মানববন্ধন

নতুন শনাক্ত বাড়ছেই

নতুন শনাক্ত বাড়ছেই

জীবিত হরিণসহ শিকারি গ্রেফতার

জীবিত হরিণসহ শিকারি গ্রেফতার

মিয়ানমারের বিক্ষোভে আবারও পুলিশের গুলি, নিহত ১

মিয়ানমারের বিক্ষোভে আবারও পুলিশের গুলি, নিহত ১

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন

নারী নির্মাতাদের চলচ্চিত্র নিয়ে উৎসব

নারী নির্মাতাদের চলচ্চিত্র নিয়ে উৎসব

ইউটিউব থেকে বাদ পড়লো মিয়ানমারের ৫ টিভি চ্যানেল

ইউটিউব থেকে বাদ পড়লো মিয়ানমারের ৫ টিভি চ্যানেল

কোহলির ‘শূন্য’ রেকর্ড

কোহলির ‘শূন্য’ রেকর্ড

দেশ কোনও ভাষণে স্বাধীন হয়নি, হয়েছে যুদ্ধে: গয়েশ্বর

দেশ কোনও ভাষণে স্বাধীন হয়নি, হয়েছে যুদ্ধে: গয়েশ্বর

মোটরসাইকেলে জেলার গণ্ডি পেরোতে পারবে না পুলিশ

মোটরসাইকেলে জেলার গণ্ডি পেরোতে পারবে না পুলিশ

ক্ষেতে পানি দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

ক্ষেতে পানি দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ


[email protected]
© 2021 Bangla Tribune
Bangla Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis.