বঙ্গবন্ধু কাপ গলফ ওপেনে এখনও আশা বাঁচিয়ে রেখেছেন দেশসেরা গলফার সিদ্দিকুর রহমান। স্থানীয়দের মাঝে লিডার বোর্ডে সেরা দশে আছেন তিনি। যুগ্মভাবে চতুর্থ স্থানে আছেন জাপানের মিকুমু হরিকাওয়া ও ভারতের ভিরাজ মাদাপ্পার সঙ্গে। তার সঙ্গে সেরা দশে আছেন আরেক দেশি গলফার আকবর হোসেন।
অবশ্য স্থানীয়দের মাঝে বাকিরা বেশ খানিকটা পিছিয়ে পড়েছেন। সম্ভাবনা জাগানোর চেষ্টা করেছিলেন মোহাম্মদ নাজিম ও সজীব আলী। কুর্মিটোলা গলফ কোর্সে বৃহস্পতিবার দেশীয় গলফারদের মধ্যে মাত্র ১২ জন তৃতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করতে পেরেছেন।
চতুর্থ স্থানে থাকা সিদ্দিকুর দ্বিতীয় রাউন্ডে চারটি বার্ডি ও একটি বোগি করেছেন। দুই রাউন্ড মিলিয়ে পারের চেয়ে খেলেছেন আট শট কম। তাতে দুই জনের সঙ্গে যৌথভাবে চতুর্থ স্থানে আছেন দুটি এশিয়ান ট্যুরের শিরোপা জেতা এই গলফার। দ্বিতীয় রাউন্ডে নিজের খেলা নিয়ে খুশি হলেও শেষ হোলে করা একমাত্র বোগি নিয়ে হতাশা ঝরেছে তার কণ্ঠে, ‘আরেকটি ভালো রাউন্ড গেলো, শুধু শেষ হোলটা ছাড়া। খুবই বাজে একটা বোগি করেছি। তবে দুই রাউন্ড মিলিয়ে পারের চেয়ে আট শট কম করে আমি খুশি।’ একই সঙ্গে জানালেন পরিবারের সবাই উপস্থিত আছেন তাকে অনুপ্রেরণা দিতে, ‘আমার পরিবারের সবাই সমর্থন দিতে উপস্থিত হয়েছে এখানে। তাদের দেখলে অন্যরকম শক্তি পাই আমি।’
এই রাউন্ডে ছয়টি বার্ডি এবং একটি করে বোগি ও ডাবল বোগি করা আকবর দুই রাউন্ড মিলিয়ে পারের চেয়ে সাত শট কম খেলে তিন জনের সঙ্গে যৌথভাবে সপ্তম স্থানে রয়েছেন। পাঁচটি বার্ডি ও তিনটি বোগি করা নাজিম দুই রাউন্ড মিলিয়ে পারের চেয়ে ছয় শট কম খেলে যৌথভাবে রয়েছেন ১১তম স্থানে। পারের চেয়ে ছয় শট কম খেলে একাদশ স্থানে আছেন বাংলাদেশের আরেক গলফার সজীব।
সাড়ে ৩ লাখ ডলার প্রাইজমানির এশিয়ান ট্যুরের এই প্রতিযোগিতায় সব মিলিয়ে পারের চেয়ে ১৫ শট কম খেলে শীর্ষে রয়েছেন থাইল্যান্ডের সাদোম কায়েওকানজানা।