ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) এডিস মশার লার্ভা বিরোধী অভিযানে নির্মাণাধীন ভবনের এক প্রকল্প ব্যবস্থাপককে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দুটি প্রতিষ্ঠান ও একটি বাড়িকে জরিমানা করা হয়। এছাড়া চারটি প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৮ আগস্ট) সংস্থাটির পাঁচটি ভ্রাম্যমাণ আদালত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন ও দণ্ড প্রদান করেন। ডিএসসিসির জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এ সময় ডিএসসিসির অঞ্চল ১-এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান ২৮টি বাড়ি পরিদর্শন করেন। তার মধ্যে কাঁঠালবাগানের ৩৭ আল আমিন রোডে নির্মাণাধীন ইউনিয়ন ডেভেলপার নামে একটি প্রতিষ্ঠানের তিনটি ভবনে প্রচুর পরিমাণে লার্ভা পাওয়া যায়। এ সময় প্রকল্পের ম্যানেজার মাসুদ পারভেজকে (৩৩) তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহবাগ থানা এবং তার ডাম্পিং স্থান পরিদর্শন করে সেখানে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম চালান।
অঞ্চল ৪-এর নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উদয়ন দেওয়ান তার এলাকার ৩৬টি বাড়ি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ৮নং নূর বক্স লেনে নির্মাণাধীন ছাউনি ডেভেলপমেন্টর ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
অঞ্চল ২-এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ জাহিদ হাসান আজিমপুর এলাকার ৩৫টি বাড়ি পরিদর্শন করেন। তিনি তমা কনস্ট্রাকশনের নির্মাণাধীন ভবনে পরিত্যক্ত টায়ারে জমে থাকা পানিতে লার্ভা পাওয়ায় পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
অঞ্চল ৫-এর নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামসুল হক ৩৫টি বাড়ি পরিদর্শন করেন। এর মধ্যে একটি বাড়িতে লার্ভার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়ায় তিন হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জহির আহমেদ মতিঝিল এলাকার ১৪টি বাণিজ্যিক ভবনে অভিযান চালান। সেখানে কোনও লার্ভা পাওয়া যায়নি। তবে চারটি ভবনে পানি জমে থাকায় তা অপসারণ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভবন মালিকদের ভবিষ্যতে যেন ভবনে পানি জমে না থাকে সে বিষয়ে সতর্ক করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এডিস মশার লার্ভা নিয়ন্ত্রণে মেয়র সাঈদ খোকনের ঘোষণা অনুযায়ী সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহকে টার্গেট করে কাজ করছে ডিএসসিসি।